টেক গাইড

Adhar card new update: আধার কার্ডের নতুন আপডেট করতে হবে সবাইকে ১০ বছর অন্তর ! জানেন কি?

Adhar card new update: আধার কার্ড এখন আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। ১২ সংখ্যার আধার নম্বর, যা একজন ব্যক্তির নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র। যা UIDAI কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। UIDAI বায়োমেট্রিক এবং জনসংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্য তাদের ডাটাবেসে মজুত রেখেছে। গোটা ভারতেই আধার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ভারতকে ডিজিটাল করার লক্ষ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হল আধার কার্ডের মাধ্যমে সমস্ত নাগরিককে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় পত্র দেওয়া। আধার কেবল একটি নাগরিকত্ব প্রমাণে পরিণত হয়নি, এটি এখন একটি বৈধ পরিচয় পত্র। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আধার কার্ড খুবই জরুরি একটি নথি হয়ে উঠেছে। একাধিক ক্ষেত্রে এই কার্ডের প্রয়োজন। সরকারি সুবিধা পাওয়া হোক কিংবা লোন অথবা ব্যাঙ্কের কাজের জন্যেও আধার কার্ড খুবই জরুরি।

ভারতীয়দের জন্য এই মুহূর্তে সবথেকে জরুরি পরিচয়পত্র হল আধার কার্ড। ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে আধার কার্ড ছাড়া হয় না। এছারাও ব্যাঙ্কের বিভিন্ন কাজে এই নথির দরকার তো পড়েই থাকে।ট্রেনে সফর হোক বা কোথাও ঘুরতে গিয়ে হোটেলের ঘর বুক করা সবক্ষেত্রেই আধার কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। এমনকি বাড়ি কেনা থেকে বিক্রি, গাড়ি কেনা থেকে বিক্রি সবেতেই দরকার আধার কার্ড।

আরও পড়ুন :  Smartphone pictures like DSLR: ডিএসএলআরের মতো ছবি তোলা যাবে স্মার্টফোনেই, দেখুন কীভাবে

তবে প্রতি ১০ বছর অন্তর বায়োমেট্রিক তথ্য (ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ফেস স্ক্যান) আপডেট করতে (Adhar card new update) হয় জানেন কি?হ্যা UIDAI আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে ১০ বছর অন্তর নতুন করে ফেস (মুখ) এবং আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) আপডেট করতে হয়।আর এই আপডেট দেওয়ার জন্য মানুষকে উৎসাহ জোগাবে কেন্দ্রীয় সরকার।তবে সত্তরোর্ধ ব্যক্তিদের অবশ্য আপডেট করতে হবে না বলে জানানো হয়েছে।

আপাতত ৫ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের বাধ্যতামূলকভাবে আধার কার্ডের বায়োমেট্রিক তথ্য (ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ফেস স্ক্যান) আপডেট করতে হয়। পাঁচ বছরের নীচের শিশুদের আধার কার্ডে (বাল আধার কার্ড) নাম ওঠে তাদের অভিভাবকদের ছবি এবং বায়োমেট্রিক তথ্যের ভিত্তিতে। পাঁচ বছরের কম বয়সিদের জন্য নীল ‘বাল আধার কার্ড’ দেওয়া হয়। তবে সেক্ষেত্রে ৫ বছর হলেই শিশুদের বায়োমেট্রিক তথ্য আপডেট করা আবশ্যিক।

বাল আধার কার্ডে নথিভুক্তিকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিশুর সঙ্গে অভিভাবকের সম্পর্কের পরিচয়পত্র (জন্মের শংসাপত্র হলে ভালো হয়) জমা দিতে হয়। সাধারণ আধার কার্ডের সঙ্গে যাতে সহজে পার্থক্য বোঝা যায়, তাই বাল আধার কার্ড রং নীল হয়। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে পাঁচ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকে এই বাল আধার কার্ড। অর্থাৎ কোনও শিশুর বয়স পাঁচ পেরিয়ে গেলে বাল আধার কার্ড আর বৈধ পরিচয়পত্র হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া আধার কার্ড রিনিউ করতে হয়।বায়োমেট্রিক ডেটা আপডেট করতে আধার কেন্দ্রে যেতে হবে।সেখানে গিয়ে বায়োমেট্রিক বিবরণ যেমন আঙ্গুলের ছাপ আইরিস এবং ফটোগ্রাফ আপডেট করতে হবে। এর সঙ্গে আপনি জন্ম তারিখ মোবাইল নম্বর ইমেল আপডেট করতে পারেন। শিশুদের আধার সময়মতো আপডেট না করা হলে এটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তাই সময় মতো আধারে বায়োমেট্রিক ডেটা আপডেট করা প্রয়োজন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button