নিউজ

মায়ের ফোনে গেম খেলে ১১লাখ টাকা উড়িয়ে দিয়েছে ৬ বছরের বালক

নিউজ ডেস্কঃ করোনার সময়ে বহু বাবা মা প্রায় ঘরবন্দি অবস্থা।এমত অবস্থায় বাচ্চারা কব্জা করে ফেলেছে বাবা মায়ের মোবাইল। আর বাচ্চাদের হাতে মোবাইল দেওয়া যেমন ভালো তেমনি বিপদজনকও বটে।

এই কথা বলার কারন আমেরিকার ৬ বছরের জর্জ জনসন মা জেসিকার মোবাইলে গেম সংক্রান্ত নানা ধরনের অ্যাড অন বুস্টার কিনে ফেলে ১১লাখ টাকা উড়িয়ে দিয়েছে।

An 8-year-old boy has spent 11 lakh rupees playing games on his mother's phone

জেসিকা করোনার কারনে সমস্ত কাজ ওয়ার্ক ফর্ম হোম সিস্টেমে করছেন।এই সুযোগে ছোট ছেলে জন আইপ‍্যাড নিয়ে খেলায় মত্ত ছিলো।সোনিক ফোর্সেস খেলতে খেলতে সে অ্যাড অন বুস্টার কিনতে শুরু করে।ভার্চুয়াল সোনার কয়েনের বাক্স,রেড রিং,গোল্ড রিংয়ের পেছনে নষ্ট হতে থাকে মায়ের উপার্জনের রাশি রাশি টাকা।গোল্ড রিংয়ের দাম ৯৯.৯৯ ডলার ও রেড রিংয়ের দাম ১.৯৯ডলার।শুধু তাতেই থামেনি জন এরপর সে বিভিন্ন ক‍্যারেক্টার ও বোনাস আনলক করে ফেলে।এই করতে করতে মায়ের অ্যাকাউন্টের ১১ লাখ টাকা উড়িয়ে দিয়েছে সে।৯ জুলাই জেসিকার নজরে আসে ঘটনা।তিনি দেখতে পান পেপ‍্যাল ও অ্যাপল তার অ্যাকাউন্ট থেকে ২৫ বার টাকা তুলেছে।যা সবমিলিয়ে ২৫০০ডলার‌।

জালিয়াতির শিকার হয়েছেন ভেবে প্রথমে ব‍্যাঙ্কে যোগাযোগ করেন তিনি।এদিকে আবার জুলাইয়ের শেষ দিকে তার বিল ১৬,২৯৩ ছাড়িয়ে যায়।তবে অক্টোবরে ধরা পরে আসলে জালিয়াতি নয় টাকা তোলা হয়েছে তার মারফতেই।এরপর তাকে অ্যাপলের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হলে জেসিকা অ্যাপলের সাথে যোগাযোগ করেন।অ্যাপেল তার সামনে তুলে ধরে গেম সংক্রান্ত জিনিসপত্র কেনাকাটার হিসেব।আর তখনই পরিস্কার ভাবে ফুটে ওঠে ঘটনা‌।

এরপর অ্যাপলকে রিফান্ডের কথা বল্লে তারা তাতে রাজি হননি কারন ঘটনার ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়।যা জেসিকা করেননি।উল্টে তারা জেসিকাকে পরামর্শ দেন এভাবে টাকা তুলে নষ্ট না করার জন্য একটি সেটিংস আছে সেটা অন রাখতে হতো।

ভীষণভাবে রেগে গিয়েছেন জেসিকা।এরপর তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন,তিনি সেটিংসএর কথা জানলে কখনও ছেলেকে টাকা উড়াতে দিতেন না।ছেলে বোঝেনি টাকা সত্যি সে অবাস্তব দুনিয়ায় একটি কার্টুন গেম খেলছিলো। এভাবে ভার্চুয়াল গেম খেলতে গিয়ে আসল টাকা তুলে নেওয়া বিশাল ধরনের জালিয়াতি বলেই মনে করছেন তিনি।তিনি বলেন এসব থামাতে সরকারী পদক্ষেপ ভীষণ দরকার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button