Advertisement
নিউজবিনোদন

Arpita Mukherjee : প্রযোজকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নায়িকা হিসেবে প্রথম ছবিতে কত টাকা নেন অর্পিতা জানলে চমকে যাবেন

জিৎ-প্রসেনজিৎ-স্বস্তিকার সঙ্গে কাজ করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। কিন্তু নায়কের বোন, অভিনেত্রীর বন্ধুর। এই সব চরিত্র পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছিল তাঁকে।

Arpita Mukherjee: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাচ্ছে ইডির অভিযান। গত কয়েকদিন ধরে যে রুদ্ধশ্বাস গোগ্রাসে গিলেছে বঙ্গবাসী, তার অন্যতম ‘নায়িকা’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।এই অর্পিতা বাস্তব জীবনেও একদা ছিলেন অভিনেত্রী।অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) যে নামটা এতদিন অনেকেই চিনত না, এমনকি শোনেনইনি কখনো, সেই নামটাই এখন সমস্ত লাইমলাইট কেড়ে নিয়েছে।

Advertisement

বেলঘরিয়ার দেওয়ানপাড়ার আটপৌরে একটা বাগানঘেরা বাড়ি। এখানেই মা মিনতি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) থাকতেন প্রথম জীবনে। পরবর্তী কালে অবশ্য অর্পিতা এই বাড়ি ছাড়েন।তার বাবা ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারি চাকুরে আর মা গৃহবধূ। দুই বোন অর্পিতারা।কলেজের পড়াশোনা শেষ হওয়ার কিছু দিন পর অর্পিতার বাবা প্রয়াত হন। তখন মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়েরও চেষ্টা করছেন অর্পিতা।

Advertisement

বাবার কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিটি তাঁর কন্যাকে দেওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। তবে অর্পিতা সেই চাকরি নিতে রাজি হননি।তখন ও মডেলিং, অভিনয় করছে। ওড়িয়া আর তামিল ছবিতেও অভিনয় করা শুরু করেছে।তাই চাকরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল সে।২০০৪ সাল নাগাদ মডেলিং করা শুরু করেন অর্পিতা।ট্যাক্সি চেপে ডানলপ থেকে টালিগঞ্জ শুটিংয়ে যেতেন অর্পিতা।পরে অবশ্য এক সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়িও কেনেন।

আরও পড়ুন :  LPG Cylinder Subsidy : কেন্দ্র রান্নার গ্যাসে সিলিন্ডার প্রতি ২০০ টাকা ভর্তুকি দেবে, কারা এই সুবিধা পারেন বিস্তারিত জানুন
Advertisement

তাঁর ইচ্ছে ছিল আকাশছোঁয়া। হতে চেয়েছিলেন নায়িকা। জিৎ-প্রসেনজিৎ-স্বস্তিকার সঙ্গে কাজ করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। কিন্তু নায়কের বোন, অভিনেত্রীর বন্ধুর। এই সব চরিত্র পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছিল তাঁকে। নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন তাঁর অধরাই থেকে যাচ্ছিল। কিন্তু ২০১১ সালেই তাঁর সঙ্গে ঘটে যায় এক চমকে দেওয়া ঘটনা।টলিপাড়ার প্রযোজক গৌতম সাহার হাত ধরেই প্রথম বড় ব্রেক পান তিনি।

Advertisement

২০১১ সালে ‘হৃদয়ে লেখো নাম’ ছবিতে প্রথম নায়িকা হিসাবে দেখা যায় অর্পিতাকে। সুযোগটা করে দিয়েছিলেন প্রযোজক গৌতম সাহাই। গৌতম বাবু ‘হৃদয়ে লেখো নাম’ নামক এক ছবির জন্য এক নবাগতার খোঁজ করছিলেন। সে সময়ই এক সঙ্গীত পরিচালকের মাধ্যমে অর্পিতার সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। ব্যস, দুইয়ে দুইয়ে হয়ে যায় চার। ভাগ্যের শিকে ছেঁড়ে অর্পিতারও।

গৌতম সাহার প্রযোজনাতেই প্রথমবার ও শেষবার টলিউডে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেন অর্পিতা (Arpita Mukherjee) । ছবির নাম ‘হৃদয়ে লেখো নাম’।২০১২ সালে ওই ছবি মুক্তি পায়। যদিও ওই ছবির পর তাঁর সঙ্গে প্রযোজকের আর সেভাবে কথা হয়নি।ওই ছবির পরেই বাংলা সিনেমা জগৎ থেকে কার্যত নিজেকে গুটিয়ে নেন অর্পিতা।

ওড়িয়া ছবি করলেও তা যে খুব জনপ্রিয় হয়েছিল এমনটা বলা যায় না। সেই অর্পিতাকেই (Arpita Mukherjee) আজ এভাবে দেখে চমকে যাচ্ছেন প্রযোজক। কিছুতেই যেন হিসেবই মিলছে না তাঁর।নায়িকা হিসেবে প্রথম চরিত্রে অভিনয় করে কত পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন তিনি,এ বিষয়ে মুখ খুললেন পরিচালক।প্রযোজক যা জানালেন তা শুনলে রীতিমতো অবাক হতে হয়।

গৌতমবাবু জানিয়েছেন, ‘হৃদয়ে লেখো নাম’ ছবির জন্য অর্পিতা পারিশ্রমিক খুব একটা নেননি। গৌতমবাবুর কথায় খাওয়া-দাওয়া, লজিং সব মিলিয়ে মাত্র পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়েছিল ও। তখন কিন্তু খুব বেশি ডিম্যান্ড করেনি। ওর খালি একটাই ইচ্ছে ছিল যে ও নায়িকা হবে।গৌতমবাবু এও জানিয়েছেন ছবি মুক্তির পরে নাকি ফোন করে তাঁর উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন অর্পিতা।

আকাশ ছুঁতে চাওয়ার স্বপ্ন দেখা মফঃস্বলের মেয়েটির মনে হয়েছিল ছবিতে তাঁকে নয়-বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মনিকা বেদীকেই।সেই অর্পিতার (Arpita Mukherjee) ফ্ল্যাট থেকেই আজ উদ্ধার প্রায় ৫০ কোটি টাকা।অর্পিতাকে আজ এভাবে দেখে চমকে যাচ্ছেন প্রযোজক। কিছুতেই যেন তাঁর হিসেব মিলছে না।

Related Articles

Back to top button