নিউজ

ধুপগুড়ির এক অসুস্থ শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা করিমুল হক

ধুপগুড়িঃ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আকান্ত এক শিশু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্ট চোখে পরতেই ওই শিশুর বাড়িতে হাজির পদ্মশ্রী করিকুল হক।ধুপগুড়ি পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের জঙ্গলপাড়ার বাসিন্দা কৃষ্ণ দাস পেশায় দর্জি।কৃষ্ণ দাশের একমাত্র মেয়ে তানিশা দাস বয়স সাড়ে ৩ বছর।

Bike ambulance grandfather Karimul Haque arranged for the treatment of a sick child in Dhupguri

২ বছর বয়স থেকেই সর্দি কাশি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেওয়ায় শুরু হয় চিকিৎসা।কিন্তু কোনরুপ সুরাহা না হওয়ায় একাধিক চিকিৎসক পরিবর্তন করা হয়েছে।সামান্য আয়ে মেয়ের চিকিৎসা করতে গিয়ে হিমশিম কৃষ্ণ দাস বাধ্য হয়েই ধুপগুড়ির বিধায়ক মিতালী রায়ের দারস্ত হয়।

আরও পড়ুন :  নতুন রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট নিয়ে মন্দিরে পূজো দিতে গিয়ে বোমার মতো বিস্ফোরণ বাইকে! Viral Video

বিধায়কের উদ্যোগেই তৎক্ষণাত স্থানীয় এক ড:কল্লোল করের সাথে যোগাযোগ করেন এবং জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিষ্ট হসপিতালের ড:সপ্তর্ষি মন্ডলের মাধ্যমে ওই শিশুর চিকিৎসা শুরু হয়।সেখান থেকে মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা।চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় রোগের নাম ব্রঙ্কাইটিস।

সম্প্রতি মেডিকাল কলেজ থেকে চিকিৎসার পর ওই শিশুকে কোলে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেন বিধায়ক মিতালী রায়।সেই ছবি দেখেই মুম্বাই থেকে এক ব্যক্তি মালবাজারের বাসিন্দা পদ্মশ্রী করিমুল হকের সাথে কথা বলেন।

এরপরেই বিধায়ক মিতালী রায়ের সাথে কথা বলে বৃহস্পতিবার ওই শিশুর বাড়িতে যান তারা।সেখানে গিয়ে চিকিৎসার সমস্ত কাগজপত্র দেখেন করিমুলবাবু এবং সেই কাগজ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেট্টির সহকারীদের পাঠিয়ে দেন।

করিমুলবাবু বলেন অর্থের অভাবে একটি শিশুকে এভাবে শেষ হতে দেব না আমরা।রোগ যেমন আছে তেমনি তার চিকিৎসাও আছে।আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব শিশুটিকে সুস্থ করে তার মা বাবার কাছে ফিরিয়ে দিতে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button