নিউজ

মহাকাশে এবার চাষবাস ! Space Station-এ চাষবাসের জন্য চিনা বাধাকপির চারা ও সর্ষে পাঠাল নাসা

মহাকাশে এবার চাষবাস ! Space Station-এ চাষবাসের জন্য চিনা বাধাকপির চারা ও সর্ষে পাঠাল নাসা

মহাকাশের স্পেস স্টেশনে এবার চাষবাস হবে।হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন।পৃথিবী ছাড়া আর কোথাও চাষবাসের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখাই নাসার উদ্দেশ্য।তাই পরীক্ষা নীরিক্ষার জন্য স্পেস স্টেশনে থাকা মহাকাশচারীর জন্য চিনা বাধাকপির চারা, সর্ষে পাঠিয়েছে। Space Station-এ থাকা মহাকাশচারীর খাওয়ার জন্য Pak Choi পাঠানো হয়েছে। খাওয়ার সাথে সাথে তিনি সেখানে ওই গাছের চারাও পুঁতবেন।এছাড়াও সেই মহাকাশচারীকে সর্ষে ও লেটুস শাক পাঠানো হয়েছে। সেগুলিও মঙ্গলের মাটিতে পুঁতবেন তিনি।

NASA-র তরফে জানানো হয়েছে, এই মিশন সফল হলে মঙ্গল বা চাঁদে ভবিষ্যতে মানুষের বসবাসের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে।ওই স্পেশ স্টেশনের একটি ছবি শেয়ার করেছে নাসা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মহাকাশবিজ্ঞানী চিনা বাধাকপিতে সোয়া সস ও গার্লিক পেস্ট ছড়িয়ে খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।ওই মহাকাশচারী নির্ধারিত পদ্ধতিতে গাছের চারা মঙ্গলের পৃষ্ঠে রোপন করবেন। তার পর সেই চারা গাছে রূপান্তরিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সবরকম চেষ্টা করবেন। পৃথিবী থেকে বেশ কয়েকরকম শাকসবজি পাঠানো হয়েছিল স্পেস স্টেশনে থাকা মহাকাশবিজ্ঞানীর জন্য।

আরও পড়ুন :  'জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে' এই মন্তব্যে কমিশনের শােকজের মুখে দিলীপ, কাল সকাল দশটা পর্যন্ত ব্যাখ্যার সময়

সেই মহাকাশবিজ্ঞানীকে নাসা-র তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিছু শাকসবজি যেন সেখানে পৌঁতার ব্যবস্থা করা হয়। স্পেস স্টেশনে ফলনের এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে Veg 03K ও Veg 03L, ম্যাট ব্রোমিন ও জিওয়া মাসা নামের সবজি স্পেস স্টেশনে ফলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ১৩ এপ্রিল স্পেস স্টেশনে পৌঁতা হয়েছিল বিশেষ এক ধরণের সর্ষে ও চিনা বাধাকপির চারা নাসার বিজ্ঞানীরা মনে করছেন ৬৪ দিন পর আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।

Related Articles

Back to top button