নিউজ

করোনা এক ওষুধেই বাজিমাৎ! নতুন আবিষ্কার ‘মোলনুপিরাভির’ করোনা সারাবে মাত্র ২৪ ঘণ্টাতেই

করোনা এক ওষুধেই বাজিমাৎ! নতুন আবিষ্কার ‘মোলনুপিরাভির’ করোনা সারাবে মাত্র ২৪ ঘণ্টাতেই

করোনার জন্য দেশজুড়ে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা, অক্সিজেনের জন্য হাহাকার।করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা সহ্য করতে না করতেই আবার তৃতীয় ঢেউ এসে হাজির। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লাখের উপর চলে গিয়েছে। হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক,বেড নেই, অক্সিজেন নেই, শ্মশানের চুল্লি নিভছে না, কবর দেওয়ার জায়গা পর্যন্ত নেই।গোটা দেশ জুড়ে হাহাকার, সব জায়গায় স্বজন হারানোর কান্না।ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ।আর এই অবস্থায় করোনা প্রতিরোধে গবেষকদের নতুন এক আবিষ্কার নিঃসন্দেহে মানুষের মনে আশার আলোর সঞ্চার করছে।

নতুন একটি অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ MK 4482 বা মোলনুপিরাভির (Molnupiravir) যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সংক্রমণ রুখতে সক্ষম। তবে বিজ্ঞানীরা এখনও এই ওষুধের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ সন্দেহমুক্ত নন। এই ওষুধ নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। করোনা রোধে এখনও পর্যন্ত ব্যবহার করা হচ্ছে রেমডেসিভির এবং ফ্যাডিপিরাভির ইজেকশন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এগুলি কিছুটা কাজে দিলেও করোনা সারাতে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য নয়। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা এগুলি শিরার মধ্যে দিতে হয়।যা একজন চিকিৎসক বা নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্য কেউ দিতে পারবেন না। কিন্তু MK 4482 মানুষ ওষুধের মতই খেতে পারবেন।

আরও পড়ুন :  NEET পাস করে MBBS-এ ভর্তি হলেন অবসরপ্রাপ্ত ৬৪ বছর বয়সের এই ব্যাঙ্ক কর্মী

নেচার কম্যুনিকেশন জার্নালে গত ১৬ এপ্রিল একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেই গবেষণাপত্রে জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির একটি গবেষক দল ‘মোললুপিরাভির’ ওষুধটির কার্যকারিতা সম্বন্ধে জানিয়েছেন। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপর কাজ করতে সক্ষম এই ওষুধটি।গবেষণায় দেখা যাচ্ছে এই ড্রাগটি করোনা ভাইরাসকে রুখতেও আশাজনক ফল দিচ্ছে।এই ওষুধটি আবিষ্কার করেছে ‘আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ’ এবং ‘ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব পলিমাউথ’।

Plymouth-এর ভাইরোলজি ও ইম্যুনোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মাইকেল জার্ভিস এবং NIH-এর অতিথি গবেষক জানিয়েছেন, এই ওষুধটি সার্স-কোভ-২ (SARS-COV-2)-কে সম্পূর্ণরূপে প্রতিহত করতে সক্ষম।তবে সংক্রমিত হওয়ার ১২ ঘণ্টা আগে বা ১২ ঘণ্টা পরে যদি এটি খাওয়া যায় তাহলে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়। আর পাঁচটা ওষুধের মতোই সরাসরি এই ওষুধটি খাওয়া যায়।এর ফল মেলে
খুব তাড়াতাড়ি। সংক্রমণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছতে দেয় না এটি। রোগ মুক্তিও ঘটে খুব তাড়াতাড়ি, ফলে আইসোলেশনে কাটাতে হয় না বেশিদিন। পাশাপাশি অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও কম থাকে।

Related Articles

Back to top button