নিউজ

প্রকাশ্যে এল তাজমহলের সেই ২২টি গোপন কুঠুরির ছবি, কী রয়েছে তাতে? দেখুন

তাজমহল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের একটি মহলে।তাজমহলের নীচে থাকা ২২টি গোপন কুঠুরি খোলার আবেদন জানিয়ে হিন্দুত্ববাদীরা পিটিশন জমা দিয়েছিলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টেও। আবেদনে বলা হয়েছে, গোপন কুঠুরিতে কী রয়েছে, তা দেখতে দেওয়া হোক সাধারণ মানুষকে। এরপর থেকেই সমাজ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে কেন তাজমহলের নীচের ২২টি ঘর বন্ধ করে রাখা আছে।তার রহস্য কী?

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ১৬ মে সেই গোপন কুঠুরিগুলোর ছবি প্রকাশ করেছে এএসআই বা আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া।এএসআই কর্মকর্তারা জানান কুঠুরিগুলোতে কোনো গোপনীয়তা নেই। এগুলো মূল কাঠামোর অংশমাত্র। ভারতের ওই পুরাতত্ত্ব বিষয়ক সংস্থার পক্ষ থেকে এও জানানো হয়েছে যে শুধু তাজমহল নয়, এমন কুঠুরি অনেক যুগের স্থাপত্যেই রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দিল্লিতে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের সমাধির কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন :  করোনা বলে আর কিছু নেই, তাই ভ্যাকসিনেরও প্রয়োজন নেই! বিজ্ঞানীর বিস্ফোরক দাবি

taj mahal secrets, asi taj mahal photos, taj mahal secret room pictures, asi website taj mahal photos, taj mahal asi, taj mahal controversy, taj mahal inside, archaeological survey of india taj mahal,


এএসআই মোট চারটি ছবি দিয়েছে। সংস্কারের আগের দু’টি এবং ওই অংশগুলো সংস্কারের পর কেমন হয়েছে, সেই ছবি দিয়েছে।তাজমহল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই’র আগরা সেল’ জানিয়েছে ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যমুনা নদীখাত লাগোয়া ওই ভূগর্ভস্থ ঘরগুলোতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়েছিল। সে সময়ই ছবিগুলো তোলা হয়। প্রকাশিত এই চারটি ছবি তোলা হয়েছিল গত ডিসেম্বরে। ঘরগুলি যে নানাবিধ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ছবিগুলিতে।

হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর দাবি তাজমহল মূলত ‘তেজো মহালয় নামে একটি শিব মন্দির।সেখানে ভগবানের কোনও মূর্তি রয়েছে কিনা দেখা হবে।বিজেপির অযোধ্যা জেলার মিডিয়া ইনচার্জ রজনীশ সিংহ এএসআই’র বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে তাজমহলের ‘আসল ইতিহাস’ অনুসন্ধানের দাবিতে ভারতের এলাহাবাদ হাই কোর্টের লখনউ বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। পাশাপাশি তাজমহলের ভেতরে দীর্ঘদিন তালাবন্ধ ওই ২২টি ঘর খোলারও দাবি জানান তিনি।অবশ্য গত ১২ মে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় ভারতের হাই কোর্ট।

অবশেষে সোমবার এএসআই-য়ের পদক্ষেপ সেই বিতর্কে খানিকটা ইতি টানবে বলে মনে করা হচ্ছে। ছবিগুলো এএসআই এর ওয়েবসাইটে জনসাধারণের দেখার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল। যাতে মানুষের ভ্রান্তি কেটে যায়।এএসআই ওই ঘরগুলির ছবি প্রকাশ করে জানিয়ে দিয়েছে সেখানে কোনো রহস্য নেই।

Related Articles

Back to top button