ভাইরাল

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে মাধ্যমিকে সফল মহঃ আলম রহমান*, তার প্রাপ্ত নম্বর 625

ইচ্ছে এবং অদম্য মনের জোর এই দুই থাকলেই যে কোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।মনের জোরই আসল, সেটা প্রমাণ করে দিলেন মহঃ আলম রহমান। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার আলম রহমান। শারীরিক অক্ষমতার জেরে ঠিক মত চলাফেরা করতে পারেন না আলম রহমত। তবুও মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া থেকে তাঁকে কেউ আটকাতে পারেনি। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে পিছনে ফেলে অদম্য মনের জোরকে কাজে লাগিয়ে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় নজির সৃষ্টি করল মুর্শিদাবাদের মহঃ আলম রহমান।

Successful Madhyamik Rahman Alam overcoming physical obstacles


জন্ম থেকেই তাঁর শরীরের বেশিরভাগ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রায় অচল।দুচোখে তার লেখাপড়া শিখে বড় হওয়ার তীব্র বাসনা। আর পাঁচটা ছেলে মেয়ের মত স্বাভাবিক না হলেও কেবলমাত্র মনের জোরে ধাপে ধাপে একের পর এক ক্লাস অতিক্রান্ত করে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছেন আলম। নিজের হাতে লিখতে পারে না রহমত পা দিয়ে লিখেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল হয়েছে।

আরও পড়ুন :  কুকুর টয়লেট ব‍্যাবহার করে নিজে নিজেই ফ্লাস চালিয়ে দিচ্ছে, মূহুর্ত্তের মধ্যে ভাইরাল সেই ভিডিও

285574464 1189785985117194 6450732452640108203 n

জানা গিয়েছে, শারীরিকভাবে জন্ম থেকে ১০০% প্রতিবন্ধী সে।মুর্শিদাবাদের গড্ডা গণপতি আদর্শ বিদ্যাপীঠ এর ছাত্র মহঃ আলম রহমান।মাধ্যমিক পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর 625।শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও আলম রহমতের স্মৃতি শক্তি তুখোড়। ছোট থেকে বরাবরই পড়াশোনা করতে ভালোবাসতেন তিনি।সুস্থ স্বাভাবিক ছাত্র ছাত্রীদের পাশাপাশি অনেক শারীরিক প্রতিবন্ধি ছাত্রছাত্রীদেরও প্রত্যেক বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে দেখা যায়।আলম রহমতও শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল হল।

সব প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতাকে হার মানিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। ছোট থেকে গ্রামে বাড়ির মধ্যে খোলা জানলা দিয়ে খোলা আকাশে দিকে তাকিয়ে আর পাঁচটা মানুষের মতো বাঁচার লড়াই সংগ্রাম করেছে রহমত। কঠিন লড়াইকে হার মানিয়ে লেখাপড়া শিখে পাশ করেছে।
ভবিষ্যতে তিনি আরও অনেক পড়াশোনা করতে চান। বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজেও সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হতে চান এই যুবক। আলম রহমতের কোনও ইচ্ছেরই খামতি রাখতে চান না তাঁর বাবা মা।তার পরিবার চায় শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাক।

এই বিষয়ে রহমতের শিক্ষক শিক্ষিকারাও অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে তাঁর পাশে থেকেছেন। তাঁরা চান সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করে আলম রহমত জীবনে সফলতার চূড়ায় যাক।পড়াশোনা শেষ করে ভবিষ্যতে চাকরি পেয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চায় মহঃ আলম রহমত।একদিকে শিক্ষার আলো অন্যদিকে চাকরি পেয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাওয়া সব মিলিয়ে অদম্য ইচ্ছা শক্তি।অদম্য মনের জোর থাকলে কোন কাজকেই আর কঠিন মনে হয় না,মনের জোরই আসল।

**খবর টির সত্যতা আমরা Sakalerbarta যাচাই করিনি।

Related Articles

Back to top button