ভাইরাল

OMG! প্রেমের টানে স্বামী ছেড়ে দুই সন্তান নিয়ে পাম্পকর্মীর সাথে পালালেন স্ত্রী

পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক হচ্ছে ভালবাসার সম্পর্ক। ভালবাসার কাঁধে ভর করেই দাঁড়িয়ে থাকে ভালবাসার একেকটি সম্পর্ক। আর তাতে আস্তর হিসেবে প্রলেপ দেয় বিশ্বাস আর অনুভূতি।এই ভালবাসার সম্পর্ক মা সন্তানের হতে পারে,আবার পিতা সন্তানের হতে পারে।পরিবারের সকলের সাথেই এই ভালবাসার সম্পর্ক জুড়ে থাকে।

আমাদের সকলের জীবনে অনেকগুলো সম্পর্কের ধারা প্রবাহিত হয়।তবে জীবনের অনেক সম্পর্কের মধ্যে নারী-পুরুষের প্রেমের সম্পর্ক অন্যতম। একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর প্রতিটি মানুষ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রবল আকর্ষণ তৈরি হয়।প্রত্যেক মানুষই ভালোবাসার কথা শুনলে তার মনে এক অন্য রকম অনুভূতি কাজ করে। সে অনুভূতি থেকে তাদের মনে অন্য রকম আনন্দ কাজ করে। কেননা প্রত্যেক মানুষের জীবনেই প্রেম আসে।

কথায় আছে প্রেমের আবেগে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়।তখন তাদের পক্ষে বাস্তবতা মেনে নিতে কষ্ট হয়। তবে অনেকেই বলেন ভালোবাসা দিয়ে নাকি সব জয় করা যায়। ভালবাসা মানে সুখে দুঃখে সব সময় একে অপরের পাশে থাকা। জীবনের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয়া। ভালোবাসা মনের একটি অনুভূতি,এই অনুভূতি কেউ দেখতে পায় না, অনুভব করে বুঝে নিতে হয়। ভালবাসা দিয়ে এভাবেই জগত-সংসার জুড়ে থাকে।

আরও পড়ুন :  ক্লাসের মধ্যে শিক্ষিকার সঙ্গে ছাত্রীর অসাধারণ নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ঝড়ের গতিতে

ভালবাসা কখনও লুকিয়ে রাখা যায় না। যদিও সময় ও পরিবেশের ক্ষেত্রে এর প্রকাশভঙ্গি এক রকম হয় না। এই ভালবাসার জন্য কেউ কেউ তার পরিবার পরিজন,বন্ধুদেরও ত্যাগ করে। এটা ভাবতে সত্যি খুব আশ্চর্য লাগে।আসলে ভালবাসার শক্তি অপরিসীম। তা না হলে সবচেয়ে কাছের মানুষদের কিভাবে ত্যাগ করা যায়। সম্প্রতি এমনি এক ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল। এই মধুর ভালবাসার টানেই স্বামী ছেড়ে দুই সন্তানের হাত ধরে স্ত্রী ঘর ছাড়লেন।

স্বামীর সাথে এক মহিলা পেট্রোল পাম্পে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল গাড়িতে তেল ভরানো। সেই জন্যই স্বামীর সঙ্গে গিয়েছিলেন পেট্রোল পাম্পে। কিন্তু পেট্রোল পাম্পে গিয়ে যে তার জীবনের দিক পরিবর্তন ঘটবে তা বোধ হয় তিনি নিজেও কল্পনা করতে পারেননি। পেট্রোল পাম্পের এক কর্মীর সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন গাড়ি চালকের স্ত্রী। আর এই মধুর প্রেমের টানেই দুই সন্তানের হাত ধরে ওই ব্যক্তির স্ত্রী ঘর ছেড়েছেন।

মাস দুয়েক আগে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়েই পেট্রোল পাম্পে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। সেই সময় সেই পাম্পের এক কর্মীর সাথে তার স্ত্রীর আলাপ পরিচয় গড়ে ওঠে। এদিকে রোজ দশ ঘণ্টা করে অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় প্রাথমিক অবস্থায় এই সম্পর্কে বিষয়ে টের পাননি ওই ব্যক্তি। সপ্তাহ খানেক আগে একদিন অফিস থেকে ফিরে তিনি দেখেন বাড়িতে তাঁর স্ত্রী নেই।

স্ত্রীর খোঁজ খবর করতেই হঠাৎ করেই স্ত্রীর হাতে লেখা একটি চিঠি তার নজরে আসে। এরপর চিঠি পড়তেই তার কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে পাম্প কর্মীর সঙ্গেই ওই মহিলার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।আর তার সাথেই যে ঘর ছেড়েছেন তা বুঝতে আর অসুবিধা হয় না। বাড়ি ছাড়ার সাথে সাথে তার স্ত্রী তাকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ব্লক করে দিয়েছেন।

আর যে ব্যক্তির সাথে গেছে তার সাথে বর্তমান সুখের জীবন নিয়েও অনবরত নানা ছবি পোস্ট করছেন। আর ওই ব্যক্তির আত্মীয়-পরিজনেরা তাকে সে সব পোস্ট পাঠাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই ওই ব্যক্তি মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।আর বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার মত কথাই।মানসিক অবস্থা ভাল না থাকার কারনে দৈনন্দিন কোনও কাজেই তার মন বসছে না।অথচ তাকে অফিসের কাজও করতে হবে।

পাঁচ বছর আগে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। স্ত্রীর আগের পক্ষের দুই সন্তান ছিলেন। আগের দুই সন্তান সহ তাঁদের নিজেদেরও একটি মেয়ে রয়েছে। তাঁদের চার বছরের মেয়েকে ফেলে ওই মহিলার নিজের আগের পক্ষের দুই সন্তানকে নিয়ে ঘর ছেড়েছেন। তার স্ত্রীর আগের দুই সন্তানকেও ওই ব্যক্তি খুব ভালবাসেন।

স্ত্রীর আগের দুই সন্তানের প্রতিও তার অগাধ ভালবাসা থাকায় তাদের দূরে চলে যাওয়ার কারনে ওই ব্যক্তি মুষড়ে পড়েছেন। সব মিলিয়ে এতো বড় ধাক্কা সামলানো তার পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছে না। কীভাবে এই ধাক্কা তিনি সামলাবেন তা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না। সত্যি এই ধাক্কা সামলানো এতো সহজও নয়। তার সাজানো সুখের সংসার ভেঙে তছনছ হয়ে গেল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button