Home নিউজ বিজেপির নেতানেত্রীরা কথা রাখেনি,শেষে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে অস্ত্রোপচার করে সুস্থ হুগলির শ্রমিকের স্ত্রী

বিজেপির নেতানেত্রীরা কথা রাখেনি,শেষে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে অস্ত্রোপচার করে সুস্থ হুগলির শ্রমিকের স্ত্রী

BJP leaders do not speak, wife of healthy Hughli worker undergoes surgery on health card

নিউজ দেস্কঃ মাস দুয়েক আগে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে হুগলি গিয়ে চন্দননগর গােন্দলপাড়ার জুট মিল শ্রমিক পি আনন্দ রাওয়ের বাড়িতে গিয়ে সেখানে দুপুরের খাওয়া দাওয়া করেছিলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য নেতা দীপাঞ্জন গুহরা। জুট মিল শ্রমিকের স্ত্রী পি লতা রাও বিজেপি নেতা নেত্রীদের সঙ্গে হাসি মুখে ছবিও তুলেছিলেন। ওই জুট মিল শ্রমিকের পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সাংসদ ও বিজেপি নেতা-নেত্রীরা। কিন্তু বিপদে তাঁদের পাশে পেলেন না ওই শ্রমিক।তবে রাজ্য সরকারকে পাশে পেয়েছেন তিনি।সম্প্রতি পি আনন্দের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের কাছে গেলে জানা যায়, তাঁর পেটে টিউমার আছে, দ্রুত অস্ত্রোপচার করা না হলে প্রাণ সংশয় হতে পারে।

আরও পড়ুন :  ভোটের আগেই ভোটকর্মীদের টিকাকরন রাজ‍্যজুড়ে!জেনে নিন বিস্তারিত।

কিন্তু এত টাকা কোথায় পাবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না আর তখনি বিজেপির দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা মাথায় রেখে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের দ্বারস্থ হন আনন্দ রাও।তাকে কোনওরকম সাহায্য তাে দূরের কথা মুখের উপর সকলেই না করে দিয়েছেন। কেউ কেউ আবার দেখছি বলে এড়িয়ে গিয়েছেন। এরপর স্থানীয়দের পরামর্শে ভদ্রেশ্বরের পুর প্রশাসক প্রকাশ গােস্বামীকে বিষয়টি জানাই। তিনি তড়িঘড়ি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ব্যবস্থা করেন। কার্ড হাতে পাওয়ার পর আনন্দ স্ত্রী লতাকে ভদ্রেশ্বর পুরসভা পরিচালিত অঙ্কুর হাসপাতালে ভরতি
করি।ওই হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডেই ৯ ফেব্রুয়ারি লতার অপারেশন হয়।বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন লতা রাও।হাসপাতালের বেডে শুয়ে লতা দেবী বলেন বিজেপি নয়,তৃণমূলের চেষ্টায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেয়ে চিকিৎসা করে সুস্থ হয়েছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। স্ত্রীর সঙ্গে একমত আনন্দও।

আরও পড়ুন :  ২০ বছর ধরে ভাত খাননি রাজ‍্যের মূখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!কিন্তু কেন জেনে নিন।
আরও পড়ুন :  ঘটে গেলো ভয়ানক দূর্ঘটনা, রেল ইন্জিনের ধাক্কায় প্রান চলে গেলো দুই গ্রামবাসীর

জুট মিল শ্রমিক আনন্দ বলন আমার বাড়িতে সাংসদ ও অন্যান্য নেতারা দুপুরে খেয়েছেন এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সমস্ত রকম বিপদে আপদে পাশে থাকবেন। তাই স্ত্রীর টিউমার ধরা পড়ার পর স্থানীয় বিজেপি নেতানেত্রীদের কাছে সাহায্যের জন্য ছুটে যাই।কিন্তু কোনওরকম সাহায্য মেলেনি। সাংসদের সঙ্গে যােগযােগ করতেই পারিনি।এবিষয়ে পুর প্রশাসক প্রকাশ গােস্বামী বলেন বিজেপি বাইরে থেকে কিছু লােক এনে সাধারণ মানুষের বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করে লােককে দেখায় তাঁরা মানুষের কাছে রয়েছে। কাজ মিটে গেলে ওরা ফিরেও তাকায় না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কর্মীরা সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন। যদিও এই অভিযােগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি বিজেপির।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন

এই মুহূর্তে

- Advertisment -
- Advertisment -

ভাইরাল