নিউজ

কেকে-র মৃত্যু কারন কি? কি বলছে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট! প্রকাশ্যে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ

বিখ্যাত সংগীত শিল্পী কৃষ্ণকুমার কুন্দন ওরফে কেকে মঙ্গলবার রাতে কলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।কেকের এই আকস্মিক প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে। মঙ্গলবার সন্ধেয় কলকাতার নজরুল মঞ্চে গুরুদাস কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন কেকে। মঞ্চ কাঁপিয়ে গানও গেয়েছিলেন।

কিন্তু মঞ্চে গান গাওয়ার সময়েই তিনি অসুস্থ বোধ করায় হোটেলে ফিরে আসেন।পরে হোটেলে কতৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।কে কে এর মৃত্যুর বিষয়টি সামনে আসার পর প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয়েছিল হৃদরোগই (Heart Disease) তার মৃত্যুর কারণ।এসএসকেএম হাসপাতালে বুধবার ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ইন্দ্ৰাণী দাস, চিকিৎসক অভিষেক চক্রবর্তী এবং সায়ক শোভন দত্ত প্রয়াত সঙ্গীত শিল্পী কেকে’র ময়নাতদন্ত করেন।

আরও পড়ুন :  কেন্দ্র ও রাজ‍্যের সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডিসেম্বর মাসে খুলে দেওয়া হবে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী রক্তনালী সংকুচিত হওয়ার কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন কে কে।বিপদ যে ঘটতে চলেছে, তা অন্তত তিন ঘণ্টা আগে থেকেই শরীর জানান দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অভিমত চিকিৎসকদের।চিকিৎসকদের মতে, হৃদরোগ জনিত অসুখের ক্ষেত্রে রক্তনালী সঙ্কুচিত হলে এই ধরনের সমস্যা হয়।

এসএসকেএম সূত্রের খবর, প্রাথমিক ময়নাতদন্তে হৃৎপিণ্ডের পাশাপাশি লিভার, কিডনিরও সমস্যা ধরা পড়েছে। তবে মৃত্যুর জন্য মূলত হৃৎপিণ্ডই দায়ী বলে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।এসএসকেএম সূত্রে খবর, প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পীর স্ত্রী জ্যোতি কৃষ্ণণ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে বাড়িতে ফোন করে ঘাড় এবং পেটে ব্যাথার কথা বলেছিলেন কেকে।

Video From TV 9 Bangla

মঙ্গলবার সন্ধ্যের অনুষ্ঠানের যে ভিডিয়োগুলি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে সেখানে গান গাওয়ার সময় কেক প্রচণ্ড ঘামছিলেন এবং বার বার সাদা তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছছিলেন।এমনকি একটু পর পর জল পান করছিলেন।আবার বেশ কয়েকবার মাথায় হাত বুলিয়েছেন।একাংশের অনুমান তখন থেকেই হয়ত অস্বস্তি বোধ করছিলেন কেকে।

কলকাতার নজরুল মঞ্চ মাতিয়ে রেখেছিলেন কে কে। তাঁকে ঘিরে ছিল কয়েক হাজার দর্শকের উন্মাদনাও। একের পর এক নব্বইয়ের দশকের নস্টালজিয়ার হিট গান করেছেন। কিন্তু অনুষ্ঠানের রেশ ভাঙতে না-ভাঙতেই যেন ছন্দপতন! কিছুক্ষণের মধ্যেই শিল্পীর আকস্মিক মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা দেশ।কিছুক্ষণের মধ্যেই যে তাঁর জীবনের শেষ সময় উপস্থিত হতে চলেছে,তা বোধ হয় স্বয়ং শিল্পীও টের পাননি।

Related Articles

Back to top button