Advertisement

Post Office Scheme: আবার চালু হলো পোষ্ট অফিসের সে পুরানো স্কিম, যেখানে মাত্র কয়েক মাসে টাকা কে দ্বিগুন করুন

Advertisement

Post Office Scheme: মানুষ তার ভবিষ্যৎ কে সুরক্ষিত করতে তাদের সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগ করে থাকে ব্যাংক পোস্ট অফিসে তাছাড়া বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। কিন্তু হ্যাঁ মানুষের ভবিষ্যৎ জীবন সুরক্ষিত করতে বিনিয়োগ করা ছাড়া আর কোন রাস্তা নেই তার অর্থকে বাড়ানোর এই একটাই বিকল্প পথ সেটা হলো ব্যাংক পোস্ট অফিস বা কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানে তার সজ্জিত অর্থকে বিনিয়োগ করা।

কিন্তু কয়েক বছর এর মধ্যে প্রচুর বেসরকারি সংস্থা মানুষের সজ্জিত অর্থ নিয়ে লোপাট হয়ে গেছে তাই মানুষ এখন আর কোন বেসরকারী সমাজ থেকে বিশ্বাস করতে পারে না তাই মানুষের এখন একটাই ভরসার পথ হল ব্যাংকার পোস্ট অফিস তো বেশিরভাগ মানুষই এখন পোস্ট অফিস, এলআইসি এগুলোকে বিশ্বাস করে।

Advertisement

কারণ মানুষ এখন চোখ বুজে পোস্ট অফিস এলআইসি ব্যাংক এই সমস্ত সংস্থা তে টাকা বিনিয়োগ করে থাকে। তো এবারও আমরা আপনাকে একটি পোস্ট অফিসের নতুন স্ক্রিন সম্পর্কে বলব যেখানে আপনার টাকাকে বৃদ্ধি করতে পারেন কয়েক মাসের মধ্যে তো চলুন জেনে নেওয়া যাক এই নতুন পোস্ট অফিসের স্ক্রিন সম্পর্কে।

তাই কোনও ব্যক্তি যদি ঝুঁকিহীন ভাবে বিনিয়োগ করতে চান ও নিজের অর্থের পুরো নিরাপত্তা চান, সেক্ষেত্রে Post Office-এর স্কিম বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।কেউ যদি দীর্ঘ মেয়াদি ভিত্তিতে বিনিয়োগ করতে চান তাহলে পোস্ট অফিসের (post office ) কিষাণ বিকাশ পত্রে (kishan vikas patra) বিনিয়োগ করতে পারেন।

ভারতীয় পোস্ট অফিস সবসময়ই সাধারণ মানুষের জন্য অনেক ধরণের সঞ্চয়ই প্ল্যান ( Post Office Scheme) নিয়ে আসে।বর্তমানে বেশি সুদ দেওয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় স্কীম হল কিষাণ বিকাশ পত্র। যেখানে আপনি মাত্র কয়েক মাসেই টাকা ডবল করতে পারবেন।

প্রকল্পের নামঃ-

এই প্রকল্পের নাম হল কিষান বিকাশ পত্র (Post Office Scheme)।যদিও এই প্লানটি কৃষকদের নামে নামাঙ্কিত কিন্তু এই প্ল্যান এ ভারতের সকল নাগরিকই নিজের অর্থ বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে আগের প্রকল্পের সাথে বর্তমানের প্রকল্পে কিছু পরিবরতন করা হয়েছে।

কিষাণ বিকাশ পত্র কী?

কিষাণ বিকাশ পত্র হল ভারত সরকারের এককালীন বিনিয়োগ প্রকল্প।যার অধীনে যে কোনও পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যায়। কিষাণ বিকাশ পত্র দেশের সমস্ত পোস্ট অফিস এবং বড় ব্যাঙ্কেও পাওয়া যায়। এই প্রকল্পে ১২৪ মাসে টাকা দ্বিগুণ হয়। অর্থাৎ এই প্রকল্পে ম্যাচিওরিটির সময় ১২৪ মাস। সব থেকে কম ১০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। এর অধীনে সর্বাধিক বিনিয়োগের কোনও উর্ধ্বসীমা নেই।

এই স্কিমে সুদের কেমন হয়?

কিষান বিকাশ পত্র নামক স্কিমের অধীনে নিজের আমানতের ওপর ৬.৯ শতাংশ সুদ পাওয়া যায়। নিজের জমা দেওয়া টাকা ১০ বছর ৪ মাসের মধ্যে দ্বিগুণ হবে। এই সুদের হার অন্যান্য স্কীম থেকে তুলনামূলক ভাবে বেশি।

টাকা দ্বিগুণ হতে কত সময় লাগবে?

এখানে ৬.৯ শতাংশ সুদ পাওয়া যায়। সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন আপনি। এখানে আপনার বিনিয়োগের পরিমান ১২৪ মাস বা ১০ বছর ৪ মাসে দ্বিগুণ হয়ে যায়।

কত বয়সে আপনি একাউন্ট খোলার যোগ্য হবেন?

ন্যূনতম ১৮ বছর বয়স হলেই যে কেউ এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। এছাড়া এই স্কিমে (Post Office Scheme) বয়সের কোনো ঊর্ধ্বসীমা রাখা হয়নি। সন্তান প্রাপ্ত বয়েসের না হলেও অভিভাবকেরা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।সন্তান প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর সে টাকা তুলতে পারবে।

বিনিয়োগের জন্য অ্যাকাউন্ট কোথায় খোলা হয়?

১০ বছর উত্তীর্ণ হলে তার অভিভাবক এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। পোস্ট অফিসের এই স্কিমে (Post Office Scheme), ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের তিনজন ব্যক্তি একসাথে একটি যৌথ অ্যাকাউন্টও খুলতে পারেন। সারা দেশের যেকোনো পোস্ট অফিসে এই স্কিমে বিনিয়োগ করে সুবিধা পাওয়া যায়। এখন অনলাইনেও এই একাউন্ট খোলার ব্যবস্থা আছে।

বিনিয়োগ করবেন কীভাবে?

আপনি যদি এই স্কিমে (Post Office Scheme) বিনিয়োগ করতে চান তাহলে আপনাকে নিজের নিকটস্থ যে কোনো পোস্ট অফিসে যেতে হবে। সেখানে আপনার পরিচয়পত্র আর ছবি নিয়ে যেতে হবে। আবেদন পত্র পূরণ করে টাকা জমা দিলেই হলো। আবেদন এবং অর্থ জমা দেওয়ার পরে, আপনি কিষান বিকাশ পত্রে বিনিয়োগের শংসাপত্র পাবেন।

বিনিয়োগ করা অর্থের পরিমান কত হবে?

আপনি সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা থেকে নিজের বিনিয়োগ ( কিষান বিকাশ পত্র) শুরু করতে পারেন। এই প্রকল্পে বিনিয়োগের কোনো উর্দ্ধসীমা নেই। অর্থাৎ আপনি যত খুশি অর্থের বিনিয়োগ এখানে করতে পারেন তবে সে ক্ষেত্রে কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। আপনি যদি ৫০,০০০ টাকার বেশি অংক জমা করতে চান তাহলে আপনাকে নিজের প্যান কার্ডের ডিটেলস জমা দিতে হবে। আর ১০ লক্ষ টাকার বেশি বিনিয়োগ করতে হলে আপনাকে আয়ের ব্যাপারে জানাতে হবে।

যে কোন স্কিমেই প্রায়ই আয়করে ছাড় পাওয়া যায়। কিন্তু মাথায় রাখবেন এই স্কিম কিন্তু আয়কর আইনের 80(C) অধীনে আসে না। এক্ষেত্রে আপনি বিনিয়োগের পরে যে রিটার্ন পাবেন সেখানে আপনাকে কর দিতে হবে। তবে এই স্কিমের মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার সুবিধা রয়েছে। সেখানে গ্যারান্টি হিসেবে এই কিষান বিকাশ পত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।

Related Articles

Back to top button