বিনোদন

সোনু সুদ ফের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন, এক পায়ে লাফিয়েই ৫০০ মিটার রাস্তা পাড়ি দেওয়া সীমার জন্য কৃত্রিম পায়ের ব্যবস্থা করছেন

করোনা কালে পরিযায়ী শ্রমিক ও অসহায় মানুষের কাছে দেবদূত হয়ে উঠেছিলেন অভিনেতা সোনু সুদ।এরপর থেকেই একের পর এক অসহায়কে সাহায্য করে চলেছেন এই অভিনেতা। আর এবার এক লড়াকু মেয়ের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা।এক লড়াকু মেয়ের জন্য কৃত্রিম পায়ের ব্যবস্থা করছেন সোনু।বিহারের জামুই জেলার বাসিন্দা সীমা।তার বয়স মাত্র ১০ বছর।কয়েক বছর আগে এক দুর্ঘটনায় একটা পা হারিয়েছে সে।এমন অবস্থায় জীবনযুদ্ধ অনেকটাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে সীমার (Sima) কাছে।

কিন্তু সমাজের লাগিয়ে দেওয়া ‘প্রতিবন্ধী’ তকমা নিয়ে বেঁচে থাকতে রাজি নয় সে। তাই একটা পা নিয়েই রোজ স্কুলে যায় সীমা। তাও আবার ৫০০ মিটার রাস্তা এক পায়ে হেঁটে।সীমার বাবা শ্রমিকের কাজ করেন অন্য রাজ্যে থাকেন। সীমাকে নিয়ে পাঁচ ভাই বোনের সংসার।দরিদ্র পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর দশা।তবুও পড়াশোনা বন্ধ করেনি সীমা। তার একটা স্বপ্ন আছে, শিক্ষিকা হতে চায় সে।

আরও পড়ুন :  মহাষ্টমীতে রাজের কোলে ডিজাইনার ধুতি-পাঞ্জাবিতে ছোট্ট ইউভান, ছবি শেয়ার করলেন শুভশ্রী

সীমার অদম্য ইচ্ছাশক্তির গল্প নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। ভিডিওটি (Viral Video) নজর কেড়েছে অভিনেতা সোনু সূদের।সীমার লড়াই সোনুর মন ছুঁয়ে গিয়েছে। আর তাই লড়াকু মেয়েটার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষনা করলেন অভিনেতা।সীমার একটি ভিডিও টুইট করেছেন সোনু। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্কুলের পোশাক পরে এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে স্কুলের পথে চলেছে সীমা। পিঠে ব্যাগ, কিন্তু পায়ে কোনো জুতো নেই। ভিডিওটি শেয়ার করে সোনু লিখেছেন, ‘এবার একটা পায়ে না দু পায়ে লাফিয়ে স্কুলে যাবে,টিকিট পাঠাচ্ছি। চলুন দু পায়ে হাঁটার সময় এসে গিয়েছে’।

আরও পড়ুন :  ছবিতে যেরকম চরিত্রেই দেখা যাক না কেন, বাস্তবে তিনি খানিক গম্ভীর, দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও

সীমার বাবা মা শিক্ষার আলো পাননি। কিন্তু মেয়ে পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হয়ে উঠুক সেটাই চান তাঁরা। ফতেপুর গ্রামের সরকারি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে সীমা। বাড়ি থেকে স্কুল পর্যন্ত রাস্তা প্রতিদিন এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়েই পাড়ি দেয় সে। ভবিষ্যতে দরিদ্র বাবা মায়ের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা সীমার।এবার তার লড়াইয়ে সামিল হলেন সোনু সুদও।দরিদ্র পরিবারের পক্ষে কৃত্রিম পায়ের ব্যবস্থা করা এক রকম ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতোই ছিল।

Related Articles

Back to top button