নিউজ

TET scam: প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতিতে ইডির নজরে রাজ্যের বহু ডিএলএড কলেজ,মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে

এবার প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেল ইডি।

TET scam: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক চরম দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। ইতিমধ্যেই কয়েকশো শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছে। দুর্নীতির মূল কারন খুঁজতে কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।এসএসসির (SSC) পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্নীতি নিয়ে তৎপরতা বাড়িয়েছে ইডি। এবার প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেল ইডি।

রাজ্যের বিভিন্ন ডিএলএড কলেজ থেকে নিয়োগের জন্য টাকা তোলা হত বলে মনে করছেন ইডির আধিকারিকরা।তাই প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতিতে (TET scam) রাজ্যের বহু ডিএলএড কলেজ ইডির নজরে রয়েছে। এই ইস্যুতে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। লেনদেন কীভাবে হতো সেই বিষয়টি নিয়ে আরও স্পষ্ট হতে তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন ইডি আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন :  মর্মান্তিক দূর্ঘটনা চিপসের প‍্যাকেটের খেলনা গলায় আটকে গেলো বালকের!তারপর কি হলো জেনে নিন।

এই মুহূর্তে রাজ্যের ৫৬০ ডিএলএড কলেজের উপর ইডির নজর রয়েছে। এই সমস্ত ডিএলএড কলেজের পড়ুয়াদের মধ্য থেকে চাকরির জন্য প্রার্থী বাছাই করা হত বলে প্রাথমিকভাবে ইডি আধিকারিকদের অনুমান। পড়ুয়াদের কাছ থেকে মোটা টাকা তোলা হত। শুধু তাই নয় এর মধ্যে অনেক ডিএলএড কলেজ বহু নেতা-মন্ত্রীদের দ্বারা পরিচালিত হত। এই সমস্ত কলেজে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি হওয়ার ফলে বেশ মোটা টাকা উঠে আসতো।ইডির আধিকারিকদের অনুমান ৫০টি সিট পিছু বছরে ১২ কোটি টাকা উঠে আসতো।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে নিয়োগ দুর্নীতির (TET scam) সূত্রপাত এইসব ডিএড কলেজের অন্দর থেকেই। কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে থেকেই প্রার্থী বাছাই করে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি চূড়ান্ত হত।তদন্তে এমনই তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। মূলত প্রাথমিকের চাকরি প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্যই রয়েছে এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।এমনকি এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র পাওয়ার জন্যও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের থেকে মোটা টাকা করে নেওয়া হত।

এই ঘটনা নিয়ে ইডি কর্তারা মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) আরও বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন।তবে শুধু মানিক ভট্টাচার্য নয়, তাঁর ঘনিষ্ঠ এমন দুজনের হদিশ পেয়েছেন ইডি কর্তারা। যাঁরা মূলত ডিএলএড কলেজ পড়ুয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেতুবন্ধনের কাজ করতেন।

মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ যে দুজনের হদিস পেয়েছে ইডি তাদের মধ্যে একজনের বাড়ি নদিয়া এবং আরেকজনের বাড়ি কলকাতার যাদবপুরে। তাঁদের নাম এখন ইডি-র আতসকাচের তলায়। এই সমস্ত বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ইডি জানতে পারলেও তার ভিতরে আরও গভীর রহস্য রয়েছে বলেই মনে করছেন আধিকারিকরা। সেই জন্যই মানিক ভট্টাচার্যকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির (TET scam) তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছে ইডি আধিকারিকরা।

Related Articles

Back to top button