DA case update – বকেয়া ডিএ কি পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা? সুপ্রিম শুনানিতে নতুন আপডেট, এক্ষুনি জানুন

Advertisement

DA case update – আশায় বুক বাঁধতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। কারণটা কি? বকেয়া ডিএ (DA case update) মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। আর সেই মামলাটি এতদিন পরে 14 ই জুলাই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি মিত্তলের বেঞ্চে শুনানির জন্য উঠতে চলেছে। আর যখনই সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএ মামলাটি শুনানির (DA case update in Supreme Court) জন্য উঠছে, সেই খবর শুনেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশের সংগঠনগুলি অধীর আগ্রহে শীর্ষ আদালতের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

তবে এই ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের আশা, সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএ মামলাটি (DA case update) খারিজ হয়ে যাবে। রাজ্য সরকার যে এসএলপি (Special Leave Petition) দাখিল করেছিল, তা খারিজ করে দিয়ে শীর্ষ আদালত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পক্ষেই রায় দেবেন। বকেয়া DA রাজ্য সরকারকে মেটাতেই হবে।
এই প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ এর তরফে বলা হচ্ছে, আশা করছি সুপ্রিম কোর্টে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল থাকবে।

আরও পড়ুন – Savings account – এবার টাকা জমা দিতে গেলে মানতে হবে নতুন নিয়ম জারি করল RBI

Advertisement

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ (DA hike news) মেটাতেই হবে। একই সুর শোনা যাচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের আরেকটি সংগঠন সরকারি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি গলায়। তিনি বলছেন, এই নিয়ে পরপর ৮বার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের এই এসএলপি শুনানির জন্য উঠল। এর আগে বিচারপতি দীনেশ মহেশ্বরী বকেয়া Dearness Allowance মামলার শুনানির জন্য নিযুক্ত ছিলেন। কিন্তু এবার বিচারপতি মহেশ্বরী সরে গিয়েছেন।

Advertisement

সেখানে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি মিত্তলের ডিভিশন বেঞ্চে বকেয়া DA মামলাটি (DA case update) উঠতে চলেছে। আশা করি, এবারের নিষ্পত্তি হবে। শীর্ষ আদালতের রায় সরকারি কর্মচারীদের পক্ষেই যাবে। দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে কলকাতার রাজপথে বসে আন্দোলন কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। কখনো পেন ডাউন, কখনো ডিজিটাল স্ট্রাইক, কখনো কর্মবিরতি, আবার কখনো ধর্মঘটের মধ্য দিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বকেয়া ডি এর দাবিতে আন্দোলন (DA Movement) চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

কলকাতা হাইকোর্ট ২০২২ সালে রাজ্য সরকারকে ৩ মাসের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মেটানোর নির্দেশ দেয়। তার আগে এই মামলাটি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল বা SAT-এ রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা দায়ের করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের পক্ষে রায় গেলে তারপরে হাইকোর্টের পথে হাঁটেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। তবে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে এসএলপি (SLP) দাখিল করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত বকেয়া ডিএ মামলার (DA case update) শুনানি শীর্ষ আদালতে শুরু হয়নি।

এর আগে বিচারপতি মহেশ্বরী এবং বিচারপতি কারলের বেঞ্চে এই এসএলপি শুনানির জন্য উঠলেও সেখানে পরবর্তীতে ১৪ ই জুলাই দিন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এবার জানা যাচ্ছে, ১৪ ই জুলাই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলাটি শুনানির জন্য উঠতে চলেছে। সেখানে মামলাটির সিরিয়াল নম্বর রয়েছে ৬০। সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ১০ নম্বর এজলাসে বকেয়া DA মামলাটির (DA case update) শুনানি হতে পারে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবিতে রাজ্য সরকারের কাছে দরবার করছেন।

কিন্তু সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্য সরকারের চাকরি করে কেন্দ্রীয় সরকারের হারে DA দাবি করা কখনোই যুক্তিসঙ্গত নয়। এরপরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশের সংগঠন যৌথ মঞ্চের তরফে আন্দোলন কর্মসূচি লাগাতার চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও সেক্ষেত্রে সেই অর্থে কোনো প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি।

তবে মামলাটি শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন থাকায় বকেয়া ডিএ (DA case update) নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে দেখা যায়নি। রাজ্য সরকারের সঙ্গে যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু সেই বৈঠক থেকেও কোনো সমাধান সূত্র মেলেনি। ফলে সকলেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের দিকে। এবার দেখার বিষয়, বকেয়া DA মামলায় রাজ্য সরকারের দায়ের করা এসএলপির শুনানিতে শীর্ষ আদালত কি নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন – 2000 rupee notes- ২০০০ টাকার নোট নিয়ে খুশির খবর দিলো সুপ্রিম কোর্ট

Advertisement
About Author
Prabir Biswas

Prabir Biswas

আমি গত চার বছর ধরে সকালের বার্তা ডিজিটাল নিউজ মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি। আমি মুলত যেকোনো ধরণের জেনারেল নিউজ যেমন সরকারি চাকরির আপডেট, স্কলারশিপ, সরকারি প্রকল্প, অর্থনৈতিক, টেকনোলজি ইত্যাদি বিষয়ে লেখায় পারদর্শী।