নিউজ

চোখের সামনে একের পর এক রোগীর মৃত্যু দেখে সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী চিকিৎসক,বর্তমানে তাঁর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা

চোখের সামনে একের পর এক রোগীর মৃত্যু দেখে সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী চিকিৎসক,বর্তমানে তাঁর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বেসামাল আমাদের দেশ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন, হাসপাতালে বেড নেই, নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনও। অসহায় মানুষের আর্তনাদ, হাহাকার চারিদিকে। শ্মশানে জমছে মৃতদেহের স্তূপ, সৎকার করার জায়গা নেই।কবরস্থানেও জায়গা জুটছে না মৃতদেহ সমাধিস্থ করার।কোথাও স্বামীর দেহ আকড়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী, কোথাও বা ছেলেকে ফিরিয়ে না আনতে পারার বুক ফাটা আর্তনাদ মায়ের।একের পর এক হৃদয় বিদারক নানা চিত্র ভেসে আসছে সংবাদ মাধ্যমের পাতায়।

রাজধানী দিল্লির অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।রাস্তায় পড়ে বিনা-চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।যা গোটা দেশকে কাঁদিয়ে তুলছে। নির অপরাধ মানুষের সেই হাহাকারের দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে দিল্লির এক চিকিৎসক এবার নিজেই মৃত্যুবরণ করলেন। ৩৬ বছরের বিবেক রাই নামের এক তরুণ আত্মহত্যা করেছেন।তিনি গত এক মাস ধরে আইসিইউ-তে করোনা রোগীদের সেবার কাছে নিযুক্ত ছিলেন। দিল্লির মালভিয়া নগরে তাঁর ফ্ল্যাটেই এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় তাঁর দেহ।

আরও পড়ুন :  ভোর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড গুজরাটের সুরাতের অয়েল অ্যান্ড ন‍্যাচরাল গ‍্যাস কর্পোরেশন (ONGC) প্লান্টে

উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের বাসিন্দা ওই চিকিৎসক হাসপাতালের রেসিডেন্ট চিকিৎসক ছিলেন।গত নভেম্বরে ওই চিকিৎসকের বিয়ে হয়েছিল। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।ঘর থেকে পুলিশ দু’টি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করেছে।তবে সেই নোটে কাউকে দোষারোপ করেননি বিবেক।তাঁর এক সহকর্মী চিকিৎসক জানান এক মাস আগেই তিনি ওই বিভাগে যোগ দেন। সেখানে দিনে ৭–৮ জন করে করোনা রোগীর মৃত্যু হচ্ছিল।ডঃ বিবেক বহু চেষ্টা করেও রোগীদের বাঁচাতে পারছিলেন না । আর তাতেই বিবেক মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

Related Articles

Back to top button